আমি সহজ কিস্তিতে লোন নিতে চাই - Sohoj Kistite Loan
আমি সহজ কিস্তিতে লোন নিতে চাই। আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক আপনি কি সহজ কিস্তিতে লোন নিতে চান? আপনার উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় আছেন। অনেকেই বিশেষ প্রয়োজনে হঠাৎ কিছু টাকার বিশেষ প্রয়োজন পড়ে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য সহজ কিস্তিতে ঋণ নিতে চান কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাবে অনেকেই সেই সহজ কিস্তিতে ঋণ নিতে পারেন না।
![]() |
| সহজ-কিস্তিতে-লোন |
পোস্ট সূচীপত্র:তাই আপনি যদি খুব সহজেই কিস্তিতে লোন নিতে পারেন সেজন্য আজকে আমরা আপনাদের জন্য বেশ কিছু এনজিও, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের লোন সেবা সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে হাজির হয়েছি। তাই আজকের লেখাটি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়লে নিশ্চয় আপনি সহজেই কিস্তিতে ঋণ সেবা নিতে পারবেন। তাই চলুন আর দেরি না করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
সহজ কিস্তিতে লোন নিতে চাই
আজকের আর্টিকেলে আমরা জানাবো একজন গ্রাহক কিভাবে খুব সহজ কিস্তিতে লোন নিতে পারে, তার এ টু জেড দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ। আজকাল ছোট বড় সব রকমের ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক, এনজিও ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গুলোতে। আপনি যদি ক্ষুদ্র বা ছোট ঋণের জন্য গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে বা ওইসব প্রতিষ্ঠানের অফিসে না গিয়ে হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়েই আপনি ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই জামানতবিহীন ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ পেয়ে যাবেন।
বর্তমানে সিটি ব্যাংক এবং বিকাশের যৌথ উদ্যোগে ২০২১ সাল থেকে ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণের যাত্রা শুরু করে। আর এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ এবং গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। সিটি ব্যাংকের পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ঢাকা ব্যাংক এক্ষেত্রে বেশ সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এখন আপনি কি ধরনের বা কত টাকা রেঞ্জের মধ্যে সহজ কিস্তিতে ঋণ নিতে চান, তা আপনার লোনের পরিমাণের ওপর নির্ভর করছে। আপনি যদি অল্প পরিমাণ টাকা যেমন ৫০০টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন নিতে চান তাহলে নিচে কিছু ডিজিটাল ঋণের তথ্যচিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরব। নিচে তাৎক্ষণিক ডিজিটাল লোনের চিত্র আপনাদের জ্ঞাতার্থে উল্লেখ করা হলো:
সিটি ব্যাংক - বিকাশ:
ঋণগ্রহীতার সংখ্যা: ১৯ লাখ
মোট ঋণের পরিমাণ: ৫০০০ কোটি টাকা।
ঋণ প্রদান করে: ৫০০ টাকা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ব্র্যাক ব্যাংক:
মোট ঋণগ্রহীতার সংখ্যা: ৫৮ হাজার
মোট ঋণের পরিমাণ: ৯৬০ কোটি টাকা
ঋণ প্রদান করে: সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত।
ঢাকা ব্যাংক:
মোট ঋণ গ্রহিতার সংখ্যা ৩৫ হাজার
ঋণ প্রদান করেছে: ৮৫ কোটি টাকা
এই ঋণের সুদের হার: ৯%
প্রাইম ব্যাংক:
মোট ঋণগ্রহীতার সংখ্যা: ৫০,০০০ টাকা
মোট ঋণের পরিমাণ: ৫০ কোটি টাকা।
যেভাবে এই ক্ষুদ্র লোন পাওয়া যায়
ডিজিটাল সহজ কিস্তিতে লোন নিতে হলে আপনার ডিজিটাল ওয়ালেট এবং মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা থাকতে হবে। এর জন্য কোন কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই স্বশরীরে ব্যাংকে না গিয়ে জামানতবিহীন এই লোন পাওয়া যায়। যারা বিকাশের সক্রিয় গ্রাহক কেবলমাত্র তারাই সিটি ব্যাংকের লোন সুবিধা বিকাশের অ্যাপসের মাধ্যমে পাবেন।
তাছাড়া অন্যান্য ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ইত্যাদিতে সহজ কিস্তিতে ঋণ নিতে হলে আপনাকে সেই ব্যাংকের একাউন্ট ধারী হতে হবে এবং আপনার বেতনের টাকা ওই ব্যাংকের মাধ্যমে সচল থাকতে হবে। এসব ব্যাংকের পাশাপাশি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ব্যাংক এশিয়া তাৎক্ষণিক ডিজিটাল লোন সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা করেছে।
সহজ কিস্তিতে ১০ থেকে ৫০হাজার বা তার ঊর্ধ্বে টাকা লোন
আপনি যদি সহজ কিস্তিতে ১০ হাজার, ২০০০০, হাজার, হাজার কিংবা এক থেকে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন নিতে চান তাহলে আপনাকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেব যেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দমত ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন এবং সহজ কিস্তিতে সেই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। তাহলে চলুন আপনি কিভাবে সহজ কিস্তিতে ঋণ নিতে পারবেন তা নিচে তুলে ধরা হলো।
![]() |
| আমি-সহজ-কিস্তিতে-লোন-নিতে-চাই |
ডিএসকে ই-লোন (DSK e-Loan)
ডিএসকে ই-লোন (DSK e-Loan) হল একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যারা খুব সহজ কিস্তিতে গ্রাহকদের বিভিন্ন মেয়াদে লোন দিয়ে থাকে। এরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এমনকি বড় বড় ব্যবসায়ীদেরও ঋণ সহায়তা করে থাকে। তবে এদের কর্ম এলাকা সম্পর্কিত নির্দিষ্ট এলাকায় তারা তাদের ঋণ কার্যক্রম পরিচালিত করে থাকেন। এরকম কর্ম এলাকা নিচে উল্লেখ করা হলো।
ঢাকা অঞ্চল: ঢাকা মহানগরের আওতা ভক্ত সকল ওয়ার্ড সমূহ এবং সন্নিহিত এলাকা সমূহ।
গাজীপুর এলাকা: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ভুক্ত এলাকা এবং সন্নিহিত এলাকা সমূহ।
নারায়ণগঞ্জ এলাকা: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ভুক্ত সকল ওয়ার্ড সমূহ এবং সন্নিহিত এলাকা সমূহ।
চট্টগ্রাম অঞ্চল: চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাভুক্ত সকল ওয়ার্ড সমূহ এবং সন্নিহিত এলাকাসমূহ।
ঋণ প্রদান করে: সর্বনিম্ন ১০ (দশ) হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
ঋণ পরিশোধের মেয়াদ: মাসিক কিস্তিতে সর্বনিম্ন ৩ (তিন) মাস থেকে ১২ (বারো) মাস এর মধ্যে পরিশোধ করার সুযোগ রয়েছে।
ঋণের পরিমাণ ও কিস্তির হিসাব: ১ লক্ষ টাকা লোন নিলে মাসিক কিস্তি ১০,৩০০টাকা, মোট সুদ ও সার্ভিস চার্জ ১৩,৩০০টাকা, মোট ১২কিস্তি, মোট পরিশোধ যোগ্য ১,১৩,৩০০টাকা। তবে আপনি যত টাকাই লোন নেন না কেন আপনি ৩ মাস থেকে শুরু করে ১২ মাসের মধ্যে লোন পরিশোধ করতে পারবেন।
যোগাযোগের ঠিকানা
বাড়ি নং - ৭৪১, সড়ক নং - ৯, বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর, ঢাকা ১২০৭।
মোবাইল নাম্বার: ০১৭১৩-১৫১০৭১
ইমেইল: dskinfo@dskbangladesh.org
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হল একটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংক সেবা। এই ব্যাংক রাষ্ট্রের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঋণ প্রদান করে স্বাবলম্বী এবং সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় অবিরত অবিচল। তাই সহজ কিস্তিতে লোন নিতে হলে আপনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করে নিম্নলিখিত খাতে ঋণ নিতে পারেন। ঋণ সেবার মধ্যে রয়েছে -
- অভিবাসী ঋণ
- পুনর্বাসন ঋণ
- নারী পুনর্বাসন ঋণ
- অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ
- বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিশেষ দক্ষতা অর্জনের জন্য ঋণ
- সিএমএসএমই ঋণ
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কৃষি ঋণ ও
- পল্লী ঋণ ইত্যাদি।
অভিবাসন ঋণ
আপনি যদি বিদেশগামী হয়ে থাকেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার সহজ কিস্তিতে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অভিবাসন ঋণ নিতে পারেন। এজন্য আপনার এলাকার কাছাকাছি সরকারি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে যোগাযোগ করে সহজ শর্তে জামানতবিহীন অভিবাসন ঋণ গ্রহণ করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করে সবকিছু তথ্য জেনে শুনে আপনি খুব সহজেই কিস্তিতে অভিবাসন লোন নিতে পারবেন।
ঋণের পরিমাণ:
নতুন ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা এবং রি এন্ট্রি ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা।
ঋণের মেয়াদ:
নতুন ভিসার ক্ষেত্রে ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছর এবং রি এন্ট্রি ভিসার ক্ষেত্রে ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ২ (দুই) বছর।
লোন পরিশোধের সময়সূচী:
দুই মাস গ্রেস পিরিয়ড বাদ দিয়ে মাসিক কিস্তিতে লোন পরিশোধযোগ্য।
সুদের হার: ৮% সরল সুদ।
সেবা প্রদানের সময়সীমা: যথাযথ কাগজপত্র সহ আবেদন প্রাপ্তির ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে ঋণ প্রদান করা হয়। এই ঋণের কোন সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য নয়।
তাছাড়াও আপনি সংশ্লিষ্ট প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে যোগাযোগ করে আপনার ক্যাটাগরি অনুযায়ী খুব সহজ কিস্তিতে ঋণ নিতে পারবেন। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা প্রতিটি বিভাগের প্রতিটি জেলায় রয়েছে, আপনি আপনার নিজ জেলার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা নিচে উল্লেখ করা হলো:
যোগাযোগ:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২ ইস্কাটন গার্ডেন রোড, ইস্কাটন, ঢাকা ১০০০।
ওয়েবসাইট: wwwডটpkbডটgovডটbd
ইমেইল: info@pkb.gov.bd
টেলিফোন হেল্প ডেস্ক: +৮৮-০২-৪৮৩২৮ ৭৩।
বুরো বাংলাদেশ এর ঋণ সেবা
আপনি যদি সহজ কিস্তিতে লোন নিতে চান তবে বুরো বাংলাদেশ এর ঋণ সেবার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কেননা বুরো বাংলাদেশ হল একটি অলাভজনক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। এদেশে ১৯৯০ সাল থেকে গণমানুষের সার্বিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্থাটি বর্তমানে সাধারণ ঋণ, এসএমই ঋণ, কৃষি ঋণ, পানি ঋণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ ঋণ, দুর্যোগ ঋণ, ইলেকট্রনিক প্রোডাক্ট ঋণ ইত্যাদি নামে সহজ সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তিতে লোন প্রদান করে থাকে। আপনি যেই শাখা থেকে লোন নিতে ইচ্ছুক সেই শাখাই যোগাযোগ করে ঋণ নিতে পারবেন। বুরো বাংলাদেশ এর সাথে যোগাযোগের ঠিকানা নিচে উল্লেখ করা হলো:
বুরো বাংলাদেশ, বাড়ি নম্বর - ১২/A, ব্লক নম্বর - CEN(F), রোড নম্বর - ১০৪, গুলশান - ২, ঢাকা - ১২১২।
টেলিফোন নম্বর: ৮৮-০২-৫৫০৫৯৮৬০
ইমেইল: buro@burobd.org
FAQ (প্রশ্নোত্তর) - সহজ কিস্তিতে লোন
Q1. কিভাবে কোথায় ১০ হাজার টাকা লোন পাওয়া যায়?
উত্তর: বিভিন্ন এনজিও যেমন ব্রাক, গ্রামীণ ব্যাংক, বুরো বাংলাদেশ এবং DSK e-Loan ইত্যাদি থেকে সহজ শর্তে আপনি ১০ হাজার টাকা লোন নিতে পারবেন।
Q2. ব্র্যাক ব্যাংক কত টাকা লোন দেয়?
উত্তর: ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন এ সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা এবং ডিজিটাল লোনে ১০ হাজার টাকা থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন দেয়। তাছাড়া এসএমই (SME) লোন ৫০ লাখ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা এবং বাড়ি বানানোর জন্য হোম লোন ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকে।
Q3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রবাসী লোন কত টাকা দেয়?
উত্তর: প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রবাসী লোন সাধারণত ৩ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকে। অর্থাৎ নতুন ভিসায় ৩ লক্ষ টাকা এবং দক্ষ কর্মীদের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ দিয়ে থাকে।
Q4. বিদেশে থাকলে কি লোন পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বিদেশে থাকলে লোন পাওয়া যায়।
Q5. কোন কোন দেশ বিদেশী নাগরিকদের ঋণ দেয়?
উত্তর: আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল এবং স্পেন এর মত দেশগুলো বিদেশী নাগরিকদের লোন দিয়ে থাকে।
Q6. বিকাশ থেকে কত টাকা লোন পাওয়া যায়?
উত্তর: বিকাশ থেকে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন পাওয়া যায়।
সর্বশেষ কথা:
প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা সহজ কিস্তিতে লোন নেওয়ার ব্যাপারে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি লেখাটি পড়ে পুরো ব্যাপারটি ভালোভাবে জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কিস্তিতে লোন দেওয়ার ব্যাপারটি যেকোনো সময় পরিবর্তন যোগ্য, তাই আপনি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে লোনের পরিমাণ এবং ঋণ ও সুদের হার ইত্যাদি ভালোভাবে জেনে তবেই আপনি লোন গ্রহণ করবেন। দেখুন ইসলাম ধর্মে ঋণের সুদ দেওয়া এবং নেওয়া দুটোই হারাম করা হয়েছে। সুতরাং আপনি উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে লোন নিয়ে থাকলে সেটা একান্ত আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার এখানে আমার কোন দায়বদ্ধতা থাকবে না। লেখাটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো যেন আপনার বন্ধু-বান্ধবও উপকৃত হতে পারেন। এরকম আরো ভালো ভালো লেখা পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করে রাখুন। লেখার মধ্যে ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ রইল। আজ আর নয়। আজকের লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url