অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan ২০২৬
অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan Bangladesh ২০২৬। আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক, আপনি কি জরুরী মুহূর্তে অনলাইন লোন, জামানত ছাড়া অনলাইন লোন বাংলাদেশ, অনলাইন লোন অ্যাপ বাংলাদেশ, মোবাইল লোন ইন বাংলাদেশ, নগদ ক্যাশ অনলাইন লোন, অনলাইনে মোবাইল লোন বাংলাদেশ, Online Mobile Loan Bangladesh, Best Mobile Loan in Bangladesh, Mini Loan Bangladesh ইত্যাদি জানতে আগ্রহী?
পোস্ট সূচিপত্র: অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan তাহলে আমি বলব আপনি একদম সঠিক জায়গায় আছেন। কেননা আজকে আমরা জরুরী মুহূর্তে অনলাইন লোন, জামানত ছাড়া অনলাইন লোন বাংলাদেশ, অনলাইন লোন অ্যাপ বাংলাদেশ, মোবাইল লোন ইন বাংলাদেশ, নগদ ক্যাশ অনলাইন লোন, অনলাইনে মোবাইল লোন বাংলাদেশ, Online Mobile Loan Bangladesh, Best Mobile Loan in Bangladesh, Mini Loan Bangladesh ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব।
অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan
আজকে আমরা জানাবো, অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ, Online Mobile Loan কী, কিভাবে লোনের জন্য আবেদন করবেন, লোনের সুদের হার, পরিশোধের নিয়ম, সুবিধা-অসুবিধা ও FAQ। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। তাই বর্তমানে অনলাইন ডিজিটাল লোন দিন দিন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কেননা মানুষ এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তার সাথে এখন যোগ হয়েছে অনলাইনে মোবাইল লোন এর মত একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সেবা। তাহলে চলুন প্রথমেই আমরা অনলাইন ডিজিটাল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan কী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।
অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan কী
দেখা গেছে অনেক সময় জরুরি মুহূর্তে আমাদের হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা থাকে না কিন্তু সেই মুহূর্তে আমাদের টাকার প্রয়োজন পড়ে, যেমন-
- জরুরী চিকিৎসা খরচ
- সন্তানের লেখাপড়ার টিউশন ফি
- ছোট খাটো ব্যবসার পুঁজি
- ট্রাভেল বা শিক্ষা সফর
- কিংবা জরুরী কেনাকাটা ইত্যাদি।
উপরোক্ত জরুরী কাজের পরিস্থিতিতে সব সময় ব্যাংকের লোন পাওয়া সম্ভব হয় না। কেননা ব্যাংকের লোন নিতে গেলে সময় লাগে, কাগজপত্রের ঝামেলা, অনেক সময় ব্যাংকের হিসাব থাকে না। আর ঠিক এই মুহূর্তেই হাতের কাছে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে যদি অনলাইনে লোন পাওয়া যায় তবে মন্দ হয় না। অনলাইনে মোবাইল লোন বিনা জামানতে অল্প সময়ে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এই লন পেতে সাধারণত গ্রাহকের -
- ব্যাংকে সরাসরি সশরীরে যেতে হয় না।
- পুরো কাগজপত্রের ঝামেলা নেই।
- কোন জামানত লাগে না।
- পুরো প্রক্রিয়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই সমাধান হয়।
উপরোক্ত কারণে এই লোনের জনপ্রিয়তা বিশেষভাবে বেড়ে যায়। এটি মূলত একটি তাৎক্ষণিক ডিজিটাল মাইক্রো লোন ব্যবস্থা, যা দ্রুত টাকার চাহিদা মেটাতে পারে।
অনলাইন মোবাইল লোন কীভাবে কাজ করে
অনলাইন মোবাইল লোন মূলত নির্দিষ্ট অ্যাপ ভিত্তিক একটি ডিজিটাল লোন ব্যবস্থা। যেখানে গ্রাহকদের সরাসরি ব্যাংকে যেতে হয় না। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) বা ব্যাংক অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই আবেদন করা যায়। স্বয়ংক্রিয় ভাবে গ্রাহকদের লেনদেন, ব্যবহার প্যাটার্ন এবং গ্রাহক প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে লোন যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়। লোন পাওয়ার যোগ্য হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঋণ অনুমোদন হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে একাউন্টে টাকা চলে আসে। মূলত অনলাইন ডিজিটাল লোন এভাবেই কাজ করে থাকে।
অনলাইনে মোবাইল লোন কেন জনপ্রিয়
অনলাইনে মোবাইল লোন জনপ্রিয় হওয়ার প্রধান কারণ হলো-
- ব্যাংকে সরাসরি স্বশরীরে যেতে হয় না।
- পুরো কাগজপত্রের ঝামেলা নেই।
- কোন জামানত লাগে না।
- গ্রাহক চাইলে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোনপাওয়া যায়।
- মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কিস্তি দেওয়া যায়।
- পুরো প্রক্রিয়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হয়।
- অল্প সময়ের মধ্যেই সমাধান হয়।
উপরোক্ত সুবিধার কারণে অনলাইনে মোবাইল লোন নেওয়া ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেই চলেছে। তাই বুঝে শুনে অনলাইনে মোবাইল লোন নেওয়া উত্তম।
বাংলাদেশে অনলাইন মোবাইল লোন কোথায় পাওয়া যায়
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেশ কয়েকটি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) সহ অনলাইনে মোবাইল লোন সুবিধা রয়েছে যেখান থেকে খুব সহজেই অনলাইন ডিজিটাল লোন পাওয়া যায়। এই লোন সেবা ব্যাংক এবং মোবাইল ওয়ালেটের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়ে থাকে।
আরো পড়ুন: সোনালী ব্যাংক পার্সোনাল লোন নেওয়ার উপায়
নিচে কয়েকটি অনলাইন ডিজিটাল লোন সেবা প্রতিষ্ঠানের তালিকা উল্লেখ করা হলো।
- বিকাশের মাধ্যমে অনলাইন লোন।
- ব্র্যাক ব্যাংক ডিজিটাল লোন।
- সোনালী ব্যাংকের ই-ওয়ালেট লোন।
- সিটি ব্যাংক ডিজিটাল লোন ইত্যাদি।
বিকাশের মাধ্যমে অনলাইন লোন - (bKash অ্যাপ লোন)
bKash হল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠান। বিকাশ বর্তমানে সিটি ব্যাংক ও অন্যান্য অংশীদার ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করে 'বিকাশ অ্যাপ' এর মাধ্যমে অনলাইন লোন দেয়। গ্রাহকদের নিয়মিত লেনদেন সঠিক থাকলে তারা বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমেই সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন দিয়ে থাকে। 'বিকাশ অ্যাপ' এর মাধ্যমে -
- ৫০০ টাকা থেকে লোন শুরু হয়।
- বিকাশ অ্যাপ থেকেই আবেদন করা যায়।
- লোনের টাকা তাৎক্ষণিক বিকাশ একাউন্টে জমা হয়।
- সহজ কিস্তিতে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমেই পরিশোধ করা যায়।
আপনি উপরোক্ত পদ্ধতিতে খুব সহজেই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা লোন নিতে পারবেন। যেকোনো প্রয়োজনে আপনি তাদের হেল্পলাইন নাম্বার/হট লাইন নাম্বার/কাস্টমার কেয়ার নাম্বার ১৬২৪৭ এ যখন ইচ্ছা তখন ফোন দিয়ে এ ব্যাপারে সবকিছু জেনে নিতে পারবেন।
ব্র্যাক ব্যাংক (BRAC Bank) ডিজিটাল লোন
ব্র্যাক ব্যাংক (BRAC Bank) তাদের 'সুবিধা' অ্যাপের মাধ্যমে অতি দ্রুত অনলাইনে ডিজিটাল লোন দিয়ে থাকে। ব্র্যাক ব্যাংক তাদের সুবিধা অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই আবেদন করা যায় এবং খুব কম সময়ের মধ্যেই লোনের টাকা অনুমোদন হয়ে যায়। তাই দ্রুত আপনার মোবাইলের মাধ্যমে আপনার একাউন্টে লোনের টাকা জমা হয় এবং আপনি আপনার প্রয়োজনে খরচ করতে পারেন। ব্র্যাক ব্যাংক কাস্টমার কেয়ার নাম্বার/ব্র্যাক ব্যাংক হেল্পলাইন নাম্বার/ব্র্যাক ব্যাংক হটলাইন নাম্বার: ১৬২২১ (২৪/৭ যেকোনো সময় কল করুন)।
সোনালী ব্যাংকের ই-ওয়ালেট (Sonali e-Wallet) লোন
সোনালী ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ই-ওয়ালেট (Sonali e-Wallet) ন্যানো লোন সুবিধা চালু করেছেন। যোগ্য গ্রাহকগণ সোনালী ই-ওয়ালেট অ্যাপ ব্যবহার করে মোবাইলের মাধ্যমে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারবেন যা সরকারি ব্যাংক হওয়ায় অনেকটাই আস্থা পাওয়া যায়। অনলাইনে মোবাইল লোন সম্পর্কিত যেকোনো প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার নাম্বার/হট লাইন নাম্বার হলো ১৬৬৩৯ (২৪/৭ যেকোন সময় ফোন করুন) এবং +৮৮০৯৬১০০১৬৬৩৯ (বিদেশ থেকে কল করুন)।
সিটি ব্যাংক ডিজিটাল লোন
সিটি ব্যাংক (City Bank) ডিজিটাল মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের সাথে যৌথ উদ্যোগে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে গ্রাহকদের ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন দিয়ে থাকে। ডিজিটাল লোন সংক্রান্ত ব্যাপারে যেকোনো বিষয়ে সিটি ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার নাম্বার/হেল্পলাইন নাম্বার হলো 16234 (২৪/৭ যেকোনো সময় ফোন করুন) এবং +88028331040 (বিদেশ থেকে যেকোনো সময় ফোন করুন)।
অনলাইন মোবাইল লোন নেওয়ার সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া (ধাপে ধাপে)
অনলাইনে মোবাইল লোন নিতে হলে আপনাকে বেশ কিছু কার্যক্রম স্টেপ বাই স্টেপ করতে হবে। ডিজিটাল লন পেতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ডাউনলোড ও ইন্সটল করে লোনের জন্য যথাযথভাবে আবেদন করতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে মোবাইলে অনলাইন লোন নেওয়ার সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হলো।
১ম ধাপ: অ্যাপ ডাউনলোড ও অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
প্রথমেই আপনার স্মার্ট মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে গুগল প্লে-স্টোর থেকে বিশ্বস্ত অ্যাপ ডাউনলোড করুন, যেমন বিকাশ অ্যাপ, সোনালী ই-ওয়ালেট অ্যাপ ইত্যাদি। অ্যাপ ডাউনলোড হয়ে গেলে আপনার ফোন নাম্বার ও জাতীয় পরিচয় পত্র/NID কার্ড সহ যাবতীয় তথ্য দিয়ে অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন করুন।
২য় ধাপ: লোন মেনুতে প্রবেশ করুন
আপনার মোবাইলের হোম স্ক্রিনে সাধারণত লোন, ডিজিটাল লোন ইত্যাদি নামে অপশন থাকে আপনি সেটি সিলেক্ট করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন।
৩য় ধাপ: লোনের অ্যামাউন্ট সিলেক্ট করুন
লোন অপশন সিলেক্ট করার পর বিভিন্ন কার্যক্রম শেষে আপনার লোনের পরিমাণ উল্লেখ করুন। আপনি যত টাকা লোন নিতে চান কিংবা যে পরিমাণ আপনি লোনের টাকা পাওয়ার যোগ্য সেই পরিমাণ টাকা নির্বাচন করুন। সাধারণত ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে আপনি যেই টাকা লোনের জন্য উপযুক্ত সেই পরিমাণ টাকা উল্লেখ করুন।
৪র্থ ধাপ: লোনের শর্তাবলী চেক করুন
আপনি যত টাকা লোড নিতে চাচ্ছেন সেই টাকার-
- সার্ভিস চার্জ
- সুদের হার
- কিস্তি সময়সূচী
- পরিশোধের নিয়ম
- পেনাল্টি চার্জ ইত্যাদি।
উপরোক্ত শর্তাবলী ভালোভাবে দেখে এবং চেক করে নিন। এতে করে আপনার লোনের টাকা পরিশোধ করতে অতিরিক্ত সুদ কিংবা ঝামেলা কম হবে।
৫ম ধাপ: আবেদন সাবমি ট করুন
আপনার সকল তথ্য দেওয়ার পর এবং লোন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়ার পর আপনার আবেদন 'সাবমিট' বাটনে ট্যাপ করে সাবমিট করুন। সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার লোন পাওয়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
৬ষ্ঠ ধাপ: লোনের টাকা গ্রহণ করুন
আপনার তথ্য সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনার লোন এপ্রুভ হবে। আর আপনার লোন এপ্রুভ হলেই লনের টাকা আপনার মোবাইলের ওয়ালেটে অথবা ব্যাংক একাউন্টে সাথে সাথে চলে আসবে। তারপর আপনি আপনার টাকা ইচ্ছামত প্রয়োজনে খরচ করতে পারবেন।
লোনের সুদের হার ও পরিশোধের ব্যবস্থা
অনলাইনে মোবাইলে লোন নিতে হলে সুদের হার প্রতিষ্ঠান ভেদে আলাদা হতে পারে। সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হওয়ায় এবং ইনস্ট্যান্ট লোন সুবিধা পাওয়াই সুদের হার তুলনামূলক একটু বেশি হতে পারে। সাধারণত সুদের হার সংশ্লিষ্ট অ্যাপ থেকেই জেনে নেওয়া যায়। তবে সময় মত পরিশোধ করলে অতিরিক্ত সুদ কিংবা চার্জ এড়ানো সম্ভব। পরিষদের মেয়াদ সাধারণত ৭ দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে হয়ে থাকে। আর সেটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য।
পরিশোধের ব্যবস্থার সুবিধা
- নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমেই পরিশোধ করা যায়।
- কিস্তি অথবা এককালীন পরিশোধ করা যায়।
- নির্দিষ্ট তারিখের আগেই লোন পরিশোধ করে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়।
অনলাইনে মোবাইলে লোন নেওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে মোবাইল লোন নেওয়ার সুবিধা এবং অসুবিধা দুটোই রয়েছে। তাই আপনি নিচে উল্লেখ কৃত সুবিধা ও অসুবিধা বিবেচনা করে তবেই আপনি লোনের টাকা গ্রহণ করবেন। এজন্য আমরা প্রথমেই ডিজিটাল লোন নেওয়ার সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করব।
ডিজিটাল লোনের সুবিধাসমূহ
- জামানতবিহীন লোন পাওয়া যায়।
- অতি দ্রুত লোনের টাকা পাওয়া যায়।
- ছোট অংকের সহজ লোন পাওয়া যায়।
- সশরীরে কোন অফিস আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
- সময় ও খরচ দুটোই বেঁচে যায়।
- মোবাইল থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ডিজিটাল লোনের অসুবিধাসমূহ
- নির্দিষ্ট কিছু গ্রাহক এই লোন সুবিধা পান।
- সুদের হার তুলনামূলক একটু বেশি।
- দেরিতে পরিশোধ করলে অতিরিক্ত ফি/জরিমানা দিতে হয়।
ডিজিটাল লোন প্রতারণা থেকে বাঁচার উপায়
অনলাইনে মোবাইল লোন বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু প্রতারক ভুয়া অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণা করার চেষ্টা করছে। তাই শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত ব্যাংক এবং পরিচিত মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করলে আপনি ডিজিটাল লোন প্রতারণা থেকে বাঁচতে পারবেন। অপরিচিত লিংক বা অ্যাপ ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন। নিচের টিপস গুলো ফলো করলে আপনি এ বিষয়ে নিরাপদ থাকতে পারবেন।
নিরাপদ থাকার উপায়
- বিশ্বস্ত গুগল প্লে স্টোর ছাড়া অন্য কোন উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।
- ব্যক্তিগত পিন নাম্বার/পাসওয়ার্ড কাউকে দেবেন না।
- লোনের শর্ত এবং সুদের হার দেখে নিন।
- প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি লোন নেবেন না।
- ডিজিটাল লোনের অন্যান্য শর্তাবলী ভালোভাবে পড়ে এবং বুঝে লোন গ্রহণ করুন।
বাংলাদেশে অনলাইন মোবাইলে লোন নেওয়া কতটা নির্ভরযোগ্য
বাংলাদেশ বর্তমানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেক্টরে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন ডিজিটাল লোন ব্যবস্থাকে আরো নিরাপদ এবং পরিবেশ বান্ধব করার জন্য নিয়ম কানুন আপডেট করছে। সুতরাং আপনি পরিচিত মোবাইল অ্যাপ এবং সরকার অনুমোদিত ব্যাংকগুলো থেকে অনলাইন মোবাইল ডিজিটাল লোন গ্রহণ করলে আজকের দিনে বেশি কার্যকর এবং নির্ভরযোগ্য বলে আমি মনে করি।
FAQ (প্রশ্নোত্তর) - অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan
Q1. মোবাইল দিয়ে কিভাবে লোন নিবো?
উত্তর: মোবাইল দিয়ে লোন পেতে হলে নির্দিষ্ট ব্যাংক অথবা বিকাশ অ্যাপ এর মত নিজস্ব অ্যাপ ব্যবহার করুন। তারপর জাতীয় পরিচয় পত্র/NID কার্ড দিয়ে তথ্য পূরণ করুন, মোবাইল নাম্বার দেন এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে তাৎক্ষণিক ডিজিটাল লোন পাওয়া যায়।
Q2. অনলাইনে মোবাইল লোন কি সবার জন্য?
উত্তর: না, নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা পূরণ করলেই এই লোন পাওয়া যায়।
Q3. কত দিনে ডিজিটাল লোন পাওয়া যায়?
উত্তর: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি লোনের টাকা পেয়ে যাবেন।
Q4. সময় মত লোনের টাকা পরিশোধ না করলে কি হবে?
উত্তর: আপনার জরিমানা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে লোন নাও পেতে পারেন।
Q5. কত টাকা পর্যন্ত এই লোন পাওয়া যায়?
উত্তর: সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন পাওয়া যায়।
Q6. অনলাইনে লোন নেওয়া কি নিরাপদ?
উত্তর: শুধুমাত্র পরিচিত এবং সরকার অনুমোদিত অ্যাপ ব্যবহার করলে এটি নিরাপদ। অচেনা অ্যাপ সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রতারণামূলক হয়।
সর্বশেষ কথা - অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ | Online Mobile Loan
পাঠক, এতক্ষণ আমরা অনলাইনে মোবাইল লোন বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং বুঝেছেন। সাধারণত ডিজিটাল লোন নিতে হলে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তাদের শর্তাবলী ভালোভাবে জেনে ও বুঝে নিতে হবে, তাহলে ঝামেলা ও ঝুঁকিমুক্ত থাকা যাবে। আশা করি লেখাটি পড়ে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। লেখাটি পড়ে উপকৃত হয়ে থাকলে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো যেন অন্যেরাও উপকৃত হতে পারেন।
আরো পড়ুন: আশা এনজিও লোন পদ্ধতি -আশা লোন ডট কম
লেখাটি পড়ে কোনরকম ভুলত্রুটি থাকলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। এরকম আরো ভালো ভালো লেখা পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করার অনুরোধ রইলো। আজকের লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক পরিচিতি:
মোহাঃ গোলাম কবির
বি.এস-সি (অনার্স), এম.এস-সি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
(বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত নিয়মিত ব্লগ লেখক)




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url